পানি নাই কহে যায় / হরিবোল মন্দিরের খোল-করতাল
অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করেছেন বরিশাল ব্রজমোহন কলেজ ও ময়মনসিংহ আনন্দমোহন কলেজে এবং অধ্যাপনা করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি বিভাগে। আনুষ্ঠানিক অবসর গ্রহণের পর তিনি এখন সেখানে খণ্ডকালীন শিক্ষক হিসাবে কাজ করছেন। ১৯৭৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ দেওয়ার পূর্বে তিনি বাংলা একাডেমির প্রধান
এলোমেলো সব প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পেতে ‘কমললতা’। কখনও শৈশবের স্মৃতিকে আশ্রয় করে কৈশোরেই আবার ফিরে আসা
ইতিহাস সন্ধানী জনৈক তরুণ ইতিহাসের খন্ডহরে দেখা পায় অনুপমা কিশোরীর
ভারতীয় সত্তায় বিষন্নতাবোধ ঈশ্বরবোধের মতো বসে আছে। অস্তিত্ব এবং অধিকারবোধ সম্পর্কে স্পষ্ট কোনো ধারণা নেই। প্রেতকায় এক জীবনকে সঙ্গে নিয়ে সকলের মাঝে বসেই এমনকি বিছিন্ন-মানসিক ঐক্যের অভাব। কিন্তু শিল্পধারায় সে ধারা ছিল অনুপস্থিত। ভারতমাতা কোনো রোমান্টিক বা আধ্যাত্মিক ধারণায় গড়ে ওঠে না। তাকে গড়ে তোলা হয় ভিক্ষুক পরিবার রূপে। অমৃতা বুঝেছিলেন এটাই তাঁর স্বদেশভূমি। ভারতকে তিনি সঠিক অস্তিত্বে চিনতে পেরেছিলেন। এ জানার জন্যে তাঁর জীবনকে পোড়াতে হয়েছিল। বিপদকে সাথে নিয়ে হিংস্র সাপের সঙ্গে খেলা করাই ছিল তার শিল্পবোধ
নিজস্ব নির্জনে নীলাদ্রিশেখর সরকার পানি নাই কহে যায় /Nijassa Nirjane : : 80 , , , , , , , (cm) : 14. 4 (l) X 21. 8 (b) X 1. 1 (h)