অর্থ ও কনেসমেত বর উধাও হয়ে যায়। শুভবিবাহের নামে এ এক ভয়ংকর ব্যবসা। নারীপাচারকারীদের হাতে চালান হয়ে যায় নতুন বউয়েরা। তারপর তারা যায় দেহব্যবসায় কিংবা দূর বিদেশের শেখদের হারেমে। ভয়ংকর এক চক্র। পথের বাধা সরানোর জন্য এরা খুন করতে পারে চোখের পলক পড়ার আগেই। জটিল রহস্য সমাধানের জন্য শেষে ডাক পড়ে গোয়েন্দা কৌশিক মিত্রের। ওর বুদ্ধির প্যাঁচে হার মানতে বাধ্য হয় কুখ্যাত মাফিয়া-চক্র। এক- এক করে উঠে আসে অপরাধ জগতের গা- ছমছমে নানা কাহিনি। 'সেদিনের সেই ভয়' উপন্যাসে দিশার ভয় পাওয়ার ঘটনাটি ছিল নেহাতই একটি মনস্তাত্ত্বিক সমস্যা। শৈশবের কোনো দুর্যোগ আছে হয়তো এই ভয় পাওয়ার পেছনে। কিন্তু কেঁচো খুঁড়তে গিয়ে সাপ বেরিয়েছিল। একটি নয়
গভীরতা ও শব্দসংখ্যায় তাঁর মহৎ উপন্যাস ছাড়িয়ে গেছে অনরে দ্য বালজাক বা বেনিতো পেরেজ গালদোসের দানবীয় কর্মকাণ্ডকেও। সমালোচকরা তাঁর উপন্যাসের সঙ্গে হামেশাই তুলনা টানেন বিশ্বের মহত্তম দুটি উপন্যাস জাপানের ‘গেঞ্জি মনোগাতারি’ (মুরাশাকি শিকিবু) এবং চিনের ‘দ্য ড্রিম অফ দ্য রেড চেম্বার’ (তসাও শুয়ে চিন)-এর। বাংলা ভাষায় মার্সেল প্রস্তকে নিয়ে এই প্রথম একটি সম্পূর্ণ গ্রন্থ প্রকাশিত হল।
-সেসব খুঁজে ফেরার পাথেয় হিসেবে এখানে সংকলিত হল গালিবের পত্রাবলি। তাঁর ব্যক্তিগত জীবনের ছোঁয়া ধরা থাকল এইসব পত্রে অনুবাদের সহজ সাবলীল ভাষায়। চিঠি গালিবের জীবন থেকে একাকিত্বকে হরণ করে নিত। তিনি প্রতীক্ষা করে থাকতেন চিঠির জন্য। তাই তো সেকালের শক্তিশালী কবি ও তাঁর প্রিয় শিষ্য মুনশি হরগোপাল তফ্তাকে তিনি একবার লিখেছিলেন- "আমি এই একাকিত্বে শুধু চিঠির ভরসা নিয়ে বেঁচে আছি। অর্থাৎ যার চিঠি এল ধরে নিলাম সে নিজেই এল।” এভাবেই বড়ো ব্যক্তিগত কথনের রীতিতে আসলে উনিশ শতকের প্রথম ছয় দশকের বহু ব্যক্তিত্ব ও তাঁদের মননচর্চার এক ইতিহাস ধরা থাকল এইসব পত্রে ও প্রত্যুত্তরে।
অভিনয়
যার আলো-পাখা দুই-ই আছে। দৃষ্টিভঙ্গির অভিনবত্ব বইটিকে অন্য মাত্রা দেয়। চিরকালীন মূল্যবোধ
ফেনশীর্ষ সাগরের ডুবুরি চন্দন ঘোষ অর্থ ও কনেসমেত বর উধাওFenshirsha Sagarer Duburi : : 384 ' ' ' ', , ' ' '', ' ' ' ', '' ' ' , ,