আমি যে বড়ো হয়ে গেছি মা- / এবার হলে কার্তিক নয়— / বিদ্যাসাগরের মতো বীর হব। / ভগবান নয় মা / সামান্য মানুষ হব।’ নিজের মাকে সবচেয়ে সুন্দর মনে হয় তাঁর। ভাবেন
তারই সন্ধান করলেন লেখক। এই বইটি শঙ্খ ঘোষ সম্পর্কে প্রথম একক গ্রন্থ এবং অবশ্যই শেষ গ্রন্থ নয়। মধুসূদনের কাছে কবির পরিচয় ‘শবদে শবদে বিয়া দেয় যেই জন।’ মণিভূষণের কাছে কবি ‘সশব্দ মজুর’। শিল্পী শঙ্খ ঘোষের ক্ষেত্র বহুমাত্রিক। শঙ্খ ঘোষের লেখায় আমরা সন্ধান পাই উক্তি ও উপলব্ধির সামঞ্জস্য-সন্ধানী কবির ‘সাহিত্যের সঙ্গে জীবনের সংযোগের কথা’-তাঁর কাব্যের ভাষা ও ভাবনার বলয়টি চিনে নিতে সুবিধা হয়। কবি শঙ্খ ঘোষ সহৃদয় সামাজিক। আমরা
বিভিন্ন শিল্পীর সঙ্গে সংগীতের সেতু ধরে করা কিছু যাতায়াত
' শুভেন্দুর জন্য সামান্য বদলে নিয়ে লেখা যায়—ছড়ানো হিয়ার নিকুঞ্জ পথে / কুড়াই ঝরাফুল একেলা আমি। হ্যাঁ। অর্থাৎ না নয়। শুভেন্দু আসলে তার ছড়ানো হৃদয়ের কুঞ্জপথে— কোন দীপ-টিপ ছাড়াই একলা— একটা-দুটো ঝরাপাতা
হয়ত একদল দুরূহ পাঠকের জন্য। এই বইয়ের কবিতাগুলি সুবোধের কবিতার অন্য এক জগৎ নির্মাণ করেছিল
গদ্যসমগ্র ২ #অনুপম মুখোপাধ্যায় আমি যে বড়ো হয়ে গেছিGadyasamagra (2) : : 512 , ' ', ' ', ' ' '' ' ' , , , , , , , ' ' ' ' ' ' '' (cm) : 14. 5 (l) X 22 (b) X 2. 8 (h)